It gives me immense pleasure to share my message on the release of 3rd volume of our departmental magazine ‘Nerthus’. To justify the theme of the e-magazine, this time our students have crafted this issue with a number of articles considering the current problems and threats of mother earth and sustainable modern approach of solutions to these.. I appreciate the efforts of young minds for making this journey possible. I also thank the reviewers and faculties of this department. May our department keep publishing many more volume to encourage the students for honing their skill beyond their syllabus. I hope you enjoy the reading of our magazine.
Welcome to the Second issue of ‘Nerthus’, an e- magazine published by Post Graduate Department of Zoology, Krishnagar Govt College. This volume is dedicated to Biodiversity, Conservation, Climate Change and Sustainability. We received almost 70 articles .We encourage more practice-based articles, state-of-the-art content and critical review articles for our subsequent issues. This will help us in scoring high in performance measures in future and moving up the magazine in ranking lists. We will also change the cover page of the magazine time to time to reflect the changes in thrust area. We have the dedication and the passion poured out into this magazine. Our articles are penned and edited carefully. It is a golden opportunity for all of us to be allowed to be a part of this great endeavour.
দিশারী ১ম সংখ্যা
পঞ্চম শ্রেণিতে একরাশ অচেনা মুখ—কেউ লাজুক, কেউ দুরন্ত। ধীরে ধীরে সেই অচেনারা হয়ে উঠল আপন, আর সময়ের সাথে আমরা বুঝতে শিখলাম বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের মূল্য। দেখতে দেখতে আট বছর কেটে গেল, আর উচ্চমাধ্যমিকের পর যখন সবাই নিজ নিজ পথে পা বাড়াল, তখন অনুভব করলাম সম্পর্কের টান কত গভীর।
এই বন্ধন অটুট রাখার ইচ্ছা থেকেই ২৩শে এপ্রিল, ২০০১ সালে গড়ে উঠল আমাদের ‘দিশারী’—একটি সুন্দর কাকতালীয়ভাবে ‘বিশ্ব বই দিবস’-এর দিনেই। নানা বাধা-বিপত্তি এলেও আমরা পিছু হটিনি। আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক শ্রী বদ্র দমন দত্ত মহাশয়ের “আমি আছি” আশ্বাস আমাদের সাহস জুগিয়েছে।
তাঁকে জানাই আন্তরিক প্রণাম ও কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি ‘দিশারী’-র সকল সদস্য ও সহযোগীদের প্রতিও রইল ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। আমরা নবীন, তাই ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে—পাঠকদের কাছে সেই ভুল শুধরে দেওয়ার আবেদন রইল।
আমাদের এই ছোট প্রয়াস তখনই সফল হবে, যখন এর সামান্য অংশও পাঠকদের জীবনে কাজে লাগবে।
দিশারী ৩য় সংখ্যা
সমস্যা কোথায়—লিটিল ম্যাগাজিনের তৃতীয় সংখ্যা, না আমাদের তেইশের? দোষারোপ নয়, প্রয়োজন শুধু কারণ বিশ্লেষণের। লিটিল ম্যাগাজিনের আয়ু নাকি গড়ে তিন বছর—সেই সীমা আমরা এখনো অতিক্রম করিনি, তাই আরও সচেতন হয়ে এগোনো জরুরি।
তেইশে নিজেকে প্রতিষ্ঠার চাপ প্রবল, কিন্তু শিক্ষা কি শুধুই নিজেকে গড়া, নাকি সমাজকেও দেখা? আমরা শপথ নিয়েছিলাম—“আমি” নয়, “আমরা”। তাই প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাদের পথ থামেনি। এই তিন বছরের পথচলা ছোট নয়, বিশেষ করে জীবনের ব্যস্ততম সময়ের মধ্যে।
আজকের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় ‘আমি’ এতটাই প্রাধান্য পাচ্ছে যে চিন্তা ও সৃজনশীলতা অনেক সময় স্তব্ধ হয়ে যায়। এই বিপন্নতা আমাদের ভেতরেই বাসা বাঁধছে—এখনই তার প্রতিকার জরুরি। শুধু লেখা নয়, ভাবনাকেও জাগিয়ে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য।
আমাদের ম্যাগাজিন তাই শুধু প্রকাশ নয়, অনুশীলনের এক মাধ্যম। পূর্বের মতো এবারও আমরা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা ও মূল্যবান মতামত পেয়েছি—তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। প্রচ্ছদ শিল্পীর প্রতিও রইল ভালোবাসা ও ধন্যবাদ।
ত্রুটি থাকতে পারে—তাই পাঠকদের কাছে অনুরোধ, তা মার্জনা করবেন। আমাদের এই প্রয়াস তখনই সার্থক হবে, যখন এটি আমাদের ঘুম ভাঙাতে সক্ষম হবে।
রবীন্দ্র স্মৃতি
রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু মানুষের সুনিপুণ দক্ষতা ও নিষ্ঠার কারুকার্যে রবীন্দ্রস্মৃতি কখনো সুপ্তির কোলে হারিয়ে যায়নি। বরং সকল বাধা অতিক্রম করে এই স্মৃতি বারবার নতুনভাবে জেগে উঠেছে এবং জয়লাভ করেছে।
যখন জনজীবনে অন্ধকার নেমে আসে, চেতনা স্তব্ধ হয়ে পড়ে, এবং সমাজ সত্যের চূড়ান্ত অবমাননার বিষাক্ত গ্রাসে আবদ্ধ হয়—তখনও রবীন্দ্রস্মৃতি আমাদের পথ দেখায়। গত শতাব্দীর কুসংস্কার, অন্ধত্ব, ক্ষুদ্রতা, অবিশ্বাস ও অনাচারের বন্ধনে আবদ্ধ সমাজ যখন দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন যুবসমাজও অনেক সময় বিভ্রান্তির পথে পা বাড়ায়।
বিদেশি প্রভাব, নৈতিক অবক্ষয় ও অনুকরণের প্রবণতায় যখন সমাজের ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন রবীন্দ্রনাথের আদর্শ আমাদের জন্য আশার আলো হয়ে ওঠে। তাঁর চিন্তা, সাহিত্য ও মানবতাবোধ সমাজকে পুনরুজ্জীবিত করার শক্তি জোগায়।
এই অশান্ত পরিবেশেও আমরা বিশ্বাস রাখি—রবীন্দ্রস্মৃতি আবারও সমাজে নতুন জীবন সঞ্চার করবে এবং মানবতার পথকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে।